Something went wrong

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা, সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ

রাজনীতি ডেস্ক
রাজনীতি ডেস্ক
৮ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৪:০৩ এএম
বসুন্ধরা সিটির পেছনের এলাকায় গুলির ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

বসুন্ধরা সিটির পেছনের এলাকায় গুলির ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় আবারও রাজনৈতিক সহিংসতার রক্তাক্ত ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (তারিখ) রাত ৮টা ২০ মিনিটে বসুন্ধরা সিটি মার্কেটের পেছনে তেজতুরী বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের পর দুর্বৃত্তদের পালিয়ে যাওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বসুন্ধরা সিটির পেছনে স্টার হোটেলের সামনে অবস্থানকালে মুসাব্বিরকে লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। দুর্বৃত্তরা মোট পাঁচটি গুলি চালায়, যার মধ্যে অন্তত একটি তার পেটে লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে মুসাব্বিরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় আবু সুফিয়ান নামে আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন। তিনি কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পরপরই আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। ফুটেজে দেখা যায়, গুলি করার পর একাধিক ব্যক্তি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ভিডিও ফুটেজ হামলাকারীদের শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ফজলুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, “ঘটনায় দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজিজুর রহমান মুসাব্বির মারা গেছেন। অপরজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।”

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক বিরোধ, পূর্বশত্রুতা কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই রাজধানীর রাজপথ উত্তপ্ত রয়েছে। তার মধ্যেই স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যার এই ঘটনা নগরীর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

Advertisement