Something went wrong

গণভোট নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশজুড়ে সরকারি কর্মসূচি

জাতীয় ডেস্ক
জাতীয় ডেস্ক
১২ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৭:১৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

গণভোট সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে সরকারের উদ্যোগে দেশজুড়ে ধারাবাহিক ও বিস্তৃত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে গণভোট নিয়ে বিদ্যমান অস্পষ্টতা দূর করার কাজ চলছে।

সরকারি সূত্র জানায়, সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রোববার (১১ জানুয়ারি) বরিশালে পৃথকভাবে বিভাগীয় কর্মকর্তা সম্মেলন ও ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসব অনুষ্ঠানে গণভোটের গুরুত্ব, প্রক্রিয়া ও নাগরিক দায়িত্ব নিয়ে প্রশিক্ষণমূলক বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ এবং অপর বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়। এর আওতায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় আগামী কয়েক দিনে দেশের অন্যান্য বিভাগেও একই ধরনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। সূচি অনুযায়ী ১২ জানুয়ারি রাজশাহী, ১৪ জানুয়ারি রংপুর, ১৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম, ১৭ জানুয়ারি ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ময়মনসিংহ, ২২ জানুয়ারি সিলেট এবং ২৪ জানুয়ারি খুলনা বিভাগে বিভাগীয় পর্যায়ে ইমাম সম্মেলন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এসব মতবিনিময় সভায় বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সিনিয়র শিক্ষক, বিশিষ্ট সাংবাদিক, প্রেস ক্লাবের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন, এনজিও প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেবেন। সভাগুলোর মূল লক্ষ্য হলো গণভোট বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারকে সম্পৃক্ত করে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা।

গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে সরকার ১১ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মোট আটটি ফটোকার্ড প্রকাশ ও শেয়ার করছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে গণভোট নিয়ে জনসাধারণের আগ্রহ বাড়বে এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।