খাদ্য ব্যবসার সব লাইসেন্স ওয়ান স্টপ সার্ভিসে দেওয়ার পরিকল্পনা: খাদ্যমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক
জাতীয় ডেস্ক
৯ মার্চ, ২০২৬ এ ৩:৪০ এএম
খাদ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ও জাইকার প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুছি তমুহিদের বৈঠক। ছবিঃ সংগৃহীত

খাদ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ও জাইকার প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুছি তমুহিদের বৈঠক। ছবিঃ সংগৃহীত

খাদ্যদ্রব্যের ব্যবসার সব ধরনের লাইসেন্স একক সেবা ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে এসব লাইসেন্স প্রদান করলে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং খাদ্য খাতের ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক ও কার্যকর করা সম্ভব হবে। রোববার (৮ মার্চ) ঢাকায় খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুছি তমুহিদের সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী জানান, প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তান ইতোমধ্যে খাদ্য ব্যবসা সংক্রান্ত লাইসেন্স প্রদানে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করেছে। একই ধরনের কার্যক্রম বাংলাদেশেও চালুর জন্য জাইকা উৎসাহ দিচ্ছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ হবে এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 আলোচনায় বাংলাদেশে জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত ‘ফুড সেফটি টেস্টিং ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ নিয়েও বিস্তারিত কথা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খাদ্য পরীক্ষাগার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবো এবং জাপানের বাজারে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্য রপ্তানির জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদি আমরা আমাদের খাদ্য নিরাপত্তাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে পারি, তাহলে রপ্তানির পথ আরও সহজ হবে।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের খাদ্যপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির সম্ভাবনা যথেষ্ট রয়েছে। বিশ্ববাজারে এসব পণ্যের চাহিদাও বাড়ছে। তবে এই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ ও মানসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থা।

বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রয়সহ পুরো খাদ্য ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় জাইকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকারসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।