Something went wrong

মাদুরো আটক ইস্যুতে সরাসরি ট্রাম্পের বিরোধিতা করলেন মামদানি

আন্তর্জাতিক ডেষ্ক
আন্তর্জাতিক ডেষ্ক
৪ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৪:১৩ এএম
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। ছবি: সংগৃহীত

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানের সরাসরি বিরোধিতা করেছেন নিউইয়র্কের নবনিযুক্ত মেয়র জোহরান মামদানি। তিনি এই সামরিক অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতীয় আইনের লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

নতুন বছরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ নেন জোহরান মামদানি। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ভেনেজুয়েলা পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের সমালোচনা করেন। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মামদানি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেন্সকে আটক করার ঘটনাকে ‘যুদ্ধের মতো কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মামদানি বলেন, এমন নগ্নভাবে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা শুধু বিদেশের জনগণকেই প্রভাবিত করছে না, বরং সরাসরি নিউইয়র্কবাসীদের জীবনেও প্রভাব ফেলছে। তিনি উল্লেখ করেন, নিউইয়র্কে বসবাসকারী হাজারো ভেনেজুয়েলান অভিবাসীর নিরাপত্তা ও মানসিক স্থিতির ওপর এই ঘটনার বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

নিউইয়র্কের মেয়র আরও বলেন, তার প্রধান লক্ষ্য হলো শহরের প্রতিটি বাসিন্দার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। বর্তমান পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) গভীর রাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেন্সকে আটক করে মার্কিন বিমান বাহিনী। পরে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, অভিযানের মাত্র চার দিন আগে তিনি এর অনুমোদন দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, এটি ছিল একটি জটিল কিন্তু সফল সামরিক অপারেশন।

ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং অভিবাসী জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিয়ে তার উদ্বেগ বিষয়টিকে আরও গভীর আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

তথ্যসূত্র: ফক্স নিউজ