যে ৭ অনলাইন গেম সন্তানদের জন্য প্রাণঘাতী


সন্তানরা অনলাইন গেম খেলছে, অভিভাবকরা সতর্ক থাকুন—কিছু গেম মৃত্যু পর্যন্ত ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি গাজিয়াবাদে তিন বোনের আত্মহত্যার ঘটনার পর আবারও আলোচনায় এসেছে অনলাইন গেমের বিপজ্জনক দিক। বিশেষ করে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোররা স্মার্টফোনে নেশার মতোভাবে বিভিন্ন গেম খেলছে। ফলে অনেক অভিভাবক উদ্বিগ্ন—সন্তান কি কোনো মারাত্মক গেম বা চ্যালেঞ্জের ফাঁদে পড়ছে না?
বর্তমানে শিশুদের হাতে প্রায় সবসময়েই স্মার্টফোন থাকে। অনলাইন গেমে আসক্তি তাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু গেম সরাসরি মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ফায়ার ফেয়ারি গেমটি জনপ্রিয় হলেও ভয়াবহ বিপজ্জনক। রাতের অন্ধকারে স্টোভ জ্বালিয়ে রাখার মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজের নির্দেশ থাকে। এতে খেলোয়াড় এবং তার পরিবারের জন্য দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।
গ্র্যানি / এভিল নান গেমে অন্ধকার ও ভৌতিক পরিবেশে বিভিন্ন কাজ করতে হয়। দীর্ঘ সময় খেলার ফলে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হতে পারে।
ব্লু হোয়েল গেম এখন আতঙ্কের প্রতীক। রাশিয়ায় শুরু হওয়া এ গেমে ৫০টি টাস্ক থাকে এবং শেষ ধাপে আত্মহত্যার নির্দেশ থাকে। একবার জড়িয়ে পড়লে বের হওয়া কঠিন।
রোবলক্স মূলত একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম। তবে এখানে যৌন উপাদান ও ভীতিকর দৃশ্যের কারণে শিশুদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
ক্রোমিং চ্যালেঞ্জ-এ ডিওডোরেন্ট, পেইন্ট থিনার বা নেইলপলিশ রিমুভারের মতো রাসায়নিক শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করতে হয়। এতে ফুসফুস ও মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ বা ‘পাস আউট চ্যালেঞ্জ’-এ শ্বাস আটকে রাখা হয়। এর ফলে অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু, খিঁচুনি ও মস্তিষ্কে ক্ষতি ঘটতে পারে।
বিনাড্রাই১ চ্যালেঞ্জ-এ অতিরিক্ত বেনাড্রিল ওষুধ সেবন করতে হয়। এর পরিণতি হতে পারে হার্ট অ্যাটাক, কোমা বা মৃত্যু।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রমের দিকে লক্ষ্য রাখা এবং প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতা বাড়ানো।










