সংবিধান সংস্কার পরিষদে বিএনপি না এলে শপথে যাবে না জামায়াত


জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের সংসদ শপথ অনুষ্ঠানের আগে গণমাধ্যমকে বক্তব্য দিচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের জানিয়েছেন, বিএনপি যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেয়, তবে জামায়াতের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও কোনো শপথ নেবেন না।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান তিনি। তিনি বলেন, দুপুর ১২টায় জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারিত রয়েছে। তবে বিএনপি যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেয়, তাহলে জামায়াতের সদস্যরাও শপথ নেবেন না। কারণ তারা মনে করেন, সংস্কারবিহীন সংসদ অর্থহীন।
সংসদ সচিবালয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি রেখেছিল। তবে বিএনপি ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, সংসদ সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেবেন না।
শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আজকে বিএনপির সংসদ সদস্যরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। সংবিধানে এখনও এটাকে ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য কে, কে শপথ নেওয়াবেন, সেটার বিধান করতে হবে।”
তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, শপথের নির্দিষ্ট ফর্মটি সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে থাকে। বর্তমানে যা আছে তা সাদা বা সাধারণ। সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়টি তৃতীয় তফসিলে যুক্ত হলে এবং জাতীয় সংসদে সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হলে কেবল তখনই সদস্যদের শপথ নেওয়ার আইনি ভিত্তি তৈরি হবে। সেই পর্যন্ত বিএনপি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ স্পষ্ট করে বলেন, বিএনপি সবসময় সংবিধান মেনে চলেছে এবং আগামী দিনেও চলবে। এই সিদ্ধান্ত দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নির্দেশে নেওয়া হয়েছে।







