ইনকিলাব মঞ্চের আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ, জুমা–আম্মারসহ অনেকে আহত


রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি সংগঠনের; জুমা–আম্মারসহ অনেকে আহত। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যমুনা অভিমুখে যাত্রাকালে এ ঘটনা ঘটে। সংগঠনের ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার দাবিতে কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং এতে জাবেরসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
ইনকিলাব মঞ্চ এক বার্তায় জানায়, সংঘর্ষের সময় জাবের গুলিবিদ্ধ হন এবং ডাকসুর মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমা ও রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
জুলাই মঞ্চের একটি ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, শহীদ ওসমান হাদির বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশ হামলা চালায়। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন এবং বহু নেতাকর্মী আহত হন। একই সঙ্গে ডাকসুর নেত্রী ফাতেমা তাসনিম জুমাও আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
সংগঠনের দাবি, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওয়ার সময় ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।
আবদুল্লাহ আল জাবেরের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকেও একটি বার্তায় শতাধিক নেতাকর্মী আহত হওয়ার কথা জানানো হয়। সেখানে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে আপাতত জমায়েত না করার এবং চিকিৎসা নিয়ে পরে আবার কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা বলা হয়।
এর আগে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে নেওয়ার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিল ইনকিলাব মঞ্চ। বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে রাতভর কর্মসূচিতে হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা, আবদুল্লাহ আল জাবের ও ডাকসুর নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সরকারের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
বর্তমানে আহতদের চিকিৎসা চলছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি চিকিৎসা শেষে পুনরায় ঘোষণা করা হতে পারে বলে সংগঠন সূত্র জানিয়েছে।










