মোদিসহ ২০ নেতা উপস্থিত চীনের তিয়ানজিনে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে


চীনের তিয়ানজিনে এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে পৌঁছেছেন মোদিসহ ২০ নেতা, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।। ছবি:সংগৃহীত
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পর চীনের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দরনগরী তিয়ানজিনে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতেই তার এই সফর। রোববার (৩১ আগস্ট) চীন ও রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাশিয়ার প্রতিবেশী ও বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার চীন পুতিনকে লাল গালিচা সংবর্ধনা জানিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সরাসরি সম্প্রচারে দেখা যায়, তিয়ানজিন বিমানবন্দরে চীনা সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা পুতিনকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানান। চীন জানিয়েছে, দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোত্তম অবস্থানে রয়েছে এবং কৌশলগত দিক থেকে সবচেয়ে স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পুতিনের চার দিনের এই বিরল সফরকে বেইজিং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার ও পশ্চিমা প্রভাবের পাল্টা ভারসাম্য তৈরির কৌশল হিসেবে দেখছে। শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে আয়োজিত এই সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ অন্তত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধান উপস্থিত হয়েছেন।
২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এসসিও বর্তমানে ১০ স্থায়ী সদস্য এবং ১৬টি সংলাপ ও পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রে বিস্তৃত হয়েছে। এর কার্যপরিধি সন্ত্রাসবাদবিরোধী সহযোগিতা ছাড়াও অর্থনীতি, বাণিজ্য ও সামরিক সহযোগিতা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে। এবারের সম্মেলনকে ‘গ্লোবাল সাউথের’ ঐক্যের প্রদর্শনী হিসেবে উপস্থাপন করছে চীন।
সফরের একদিন আগে চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, মস্কো ও বেইজিং যৌথভাবে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বৈষম্যমূলক নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করছে। আন্তর্জাতিক বাজার ও ভূরাজনীতির এই টানাপোড়েনে এসসিও সম্মেলন বৈশ্বিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।