২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বড় দুঃসংবাদ পেতে যাচ্ছে ভারত


অভিষেক শর্মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, নামিবিয়া ম্যাচে তার খেলা অনিশ্চিত। ছবি সংগৃহীত
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে উদ্বেগ বেড়েছে। ওপেনার অভিষেক শর্মার খেলা এখন অনিশ্চিত। ১২ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে নামিবিয়ার বিপক্ষে ভারতের ম্যাচের আগে মঙ্গলবার অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দলের প্রথম অনুশীলনে দেখা যায়নি অভিষেককে।
প্রতিবেদনে জানা গেছে, অভিষেক শর্মাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি পেটের সংক্রমণে ভুগছেন। এর ফলে তার মাঠে নামা দুশ্চিন্তাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নামিবিয়া ম্যাচে অভিষেকের অনুপস্থিতির সম্ভাবনাই বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও অসুস্থ ছিলেন অভিষেক। সেই ম্যাচে খেলার পর তার অবস্থা আরও খারাপ হয়। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে মাঠে নামেননি এবং বদলি ফিল্ডার হিসেবে নামেন সাঞ্জু স্যামসন। ম্যাচ শেষে অভিষেককে হাত মেলাতে বা মিডিয়ার সঙ্গে দেখা যায়নি।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অভিষেকের জ্বর ছিল বলে জানা গেছে। দ্রুত স্বস্তির জন্য তাকে স্যালাইন দেওয়া হয়। শুরুতে ভারতীয় দল বিষয়টিকে সাধারণ পেটের সমস্যা হিসেবে জানিয়েছিল। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণ গুরুতর এবং এতে তার পরবর্তী ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা কমে গেছে।
সহকারী কোচ রায়ান টেন ডেসকাটে বলেন, “অভিষেকের পেটের সমস্যা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। আমরা আশা করছি, দুই দিনের মধ্যে সে ম্যাচ খেলার মতো অবস্থায় থাকবে।”
অসুস্থ হলেও দলের সঙ্গে দিল্লি গিয়েছেন অভিষেক। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। ৮ ফেব্রুয়ারি প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের বাসায় দলের বিশেষ নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তার সুস্থতা নিয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার অনুশীলনে অভিষেক না থাকায় প্রথমে নেটে যান সাঞ্জু স্যামসন। সাম্প্রতিক নিউজিল্যান্ড সিরিজে তিনি ছন্দে ছিলেন না। অনুশীলনের সময় অর্শদীপ সিং ও হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অস্বস্তিতে দেখা গেছে তাকে। বাঁ হাতেও চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
রায়ান টেন ডেসকাটে আরও বলেন, “আমরা সবচেয়ে বেশি অপেক্ষা করছি অভিষেকের ফিটনেসের দিকে। সেটার ওপর নির্ভর করে দলের কম্বিনেশন ঠিক হবে।” বুধবার দিল্লিতে শেষ অনুশীলনের পর অভিষেক শর্মার খেলা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।










