বাংলাদেশি সাংবাদিকদের জন্য আইসিসির অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রত্যাহার

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক
২৭ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৪:৫১ এএম
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিলের সিদ্ধান্তে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিলের সিদ্ধান্তে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগেই নতুন বিতর্কে জড়াল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বিশ্বকাপ কাভার করতে ভারত ও শ্রীলংকা সফরের জন্য বাংলাদেশ থেকে যেসব সাংবাদিক আইসিসির অ্যাক্রিডিটেশনের জন্য আবেদন করেছিলেন, তাদের আবেদন বাতিল করেছে সংস্থাটি।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। টাইগাররা বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলংকায় গিয়ে ম্যাচ খেলার আগ্রহ প্রকাশ করলেও আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তনের সুযোগ দেয়নি।

বাংলাদেশ দল ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকায় আইসিসি শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেয়। এর পাশাপাশি বিশ্বকাপ কাভারেজে অংশ নিতে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন আবেদনও প্রত্যাখ্যান করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় ই-মেইলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের কাছে অ্যাক্রিডিটেশন বাতিলের বিষয়টি জানিয়ে দেয় আইসিসি।

এ ঘটনায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন ক্রীড়া সাংবাদিকরা। ১৩টি আইসিসি ইভেন্ট কাভার করা সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক সেকান্দার আলী বলেন,
“বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বয়কট করায় বাংলাদেশের সাংবাদিকদেরও যেন আইসিসি বয়কট করেছে। এ ধরনের ঘটনা সাধারণত ঘটে না। বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপ না খেললেও অতীতে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা বিশ্বকাপ কাভার করেছেন। এতে বোঝা যায়, বাংলাদেশের প্রতি আইসিসির ক্ষোভ কতটা গভীর। পুরো বিষয়টি হতাশাজনক।”

এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন আন্তর্জাতিক সাংবাদিকরাও। পাকিস্তানি ক্রীড়া সাংবাদিক শাকির আব্বাসি তার এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে লিখেছেন,
“টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশি ক্রিকেট সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন দিতে অস্বীকৃতি জানানো অন্যায়। অন্তত শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলো কাভার করার অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল।”

বিশ্লেষকদের মতে, একটি দলের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের প্রভাব সাংবাদিকদের ওপর পড়া নজিরবিহীন এবং এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।