বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা ছোট হচ্ছে, দায়িত্ব পাচ্ছেন কোন নেতারা?

রাজনীতি ডেস্ক
রাজনীতি ডেস্ক
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ১১:৫৮ এএম
শপথ অনুষ্ঠানের আগে মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে দলীয় নেতাদের বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত

শপথ অনুষ্ঠানের আগে মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে দলীয় নেতাদের বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, প্রশাসনিক দক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে মন্ত্রিসভার আকার ছোট রাখা এবং মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ৩০-এর নিচে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, বর্তমানে বিদ্যমান ৪৩টি মন্ত্রণালয়ের কিছু একীভূত করা হতে পারে। একই খাতে কাজ করে—এমন দপ্তরগুলোকে একত্রে আনার চিন্তা রয়েছে। এতে সরকারের কাজ সহজ হবে এবং সমন্বয় বাড়বে বলে দলটির ধারণা। ক্ষমতাচ্যুত সরকারের আমলে বিভক্ত হওয়া কয়েকটি মন্ত্রণালয় আগের কাঠামোয় ফেরানোর বিষয়ও আলোচনায় আছে।

নতুন মন্ত্রিসভা নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়ে গঠিত হবে বলে জানা গেছে। অভিজ্ঞ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তরুণদের উপমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

সিনিয়র নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাস ও আবদুল আউয়াল মিন্টু-সহ কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। নারীদের মধ্যে সেলিমা রহমান ও শামা ওবায়েদ-এর নাম শোনা যাচ্ছে।

তরুণ নেতাদের মধ্যে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও ইশরাক হোসেন-এর নাম প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া মিত্র দলগুলোর কয়েকজন বিজয়ী নেতাকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে পর্যন্ত মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। শপথ অনুষ্ঠানের পরই স্পষ্ট হবে কারা মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন এবং কোন নেতা কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন।