Something went wrong

ডাকসু নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে আশাবাদী ছাত্রদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ৭:১৮ এএম
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও সাড়া দেখে জয়ের ব্যাপারে প্রবল আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নাছির উদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থীরা ভোটের মাধ্যমে তাদের মতামত জানাচ্ছেন এবং সেই প্রক্রিয়ায় ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল বিপুল সমর্থন পাচ্ছে। ফলে আমরা জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী। শিক্ষার্থীরা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। বিশেষ করে আমাদের প্যানেলের ভিপি ও এজিএস প্রার্থীরা অতীতের গণঅভ্যুত্থানে যেমন সক্রিয় ছিলেন, তেমনি গত ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে লড়াই করেছেন। শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় তারা সবসময় সোচ্চার ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও সেই অধিকার রক্ষার সক্ষমতা রয়েছে।”

এই নির্বাচনকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত আখ্যায়িত করে নাছির উদ্দিন বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে তরুণদের মতামতকে বাদ দিয়ে এক ধরনের দমনমূলক শাসন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই শাসন ব্যবস্থাকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের জীবনের বিনিময়ে প্রতিহত করেছে। তাই ডাকসুর এই নির্বাচন পরিবর্তিত বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। আমরা বিশ্বাস করি, ডাকসুর ভোটের মধ্য দিয়েই দেশের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের প্রাথমিক সূচনা হয়েছে। আজকের এই দিনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”

অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা যেন কেন্দ্রে এসে ভোট দেন। বিশেষ করে যারা দূর-দূরান্ত থেকে কষ্ট করে পড়াশোনা করছেন, তাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে যোগ্য নেতৃত্ব উঠে আসবে।”

ভোটের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখনো বড় ধরনের কোনো বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। তবে আমাদের ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীদের কিছু কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, নিজের হলে প্রবেশ করা যাবে না কিংবা মেয়েদের লাইনের কাছাকাছি যাওয়া যাবে না। আমরা মনে করি এটি বৈষম্যমূলক আচরণ। তারপরও সামগ্রিকভাবে ভোটকেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। আমরা আশা করি, এই পরিবেশ বজায় থাকবে।

Advertisement
Advertisement