চট্টগ্রামে জামায়াতের নির্বাচনী সমাবেশ আজ


চট্টগ্রামে সমাবেশে অংশ নিতে প্রস্তুত জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি সংগৃহীত
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের পাঁচটি স্থানে ধারাবাহিক সমাবেশে অংশ নেবেন। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এসব সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগমের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের শরিক ১১ দলীয় জোট ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, ডা. শফিকুর রহমানের সফরসূচি অনুযায়ী সকাল ৯টায় কক্সবাজারের মহেশখালীতে প্রথম সমাবেশ শুরু হবে। এরপর সকাল ১০টায় কক্সবাজার সদর, দুপুর ১১টায় লোহাগাড়ার পদুয়া, দুপুর ২টায় সীতাকুণ্ড এবং বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে শেষ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিটি সমাবেশেই তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।
এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রশাসনকে আগাম অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি। পাশাপাশি মঞ্চ প্রস্তুত, স্বেচ্ছাসেবক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তাসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। মহানগর ও জেলা পর্যায়ে জামায়াত এবং তাদের অঙ্গসংগঠনগুলোর উদ্যোগে পথসভা, গণমিছিল, মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
সমাবেশ সফল করতে গত শনিবার চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন, রাজনৈতিক সংস্কার এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই জামায়াতে ইসলামী ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, এসব সমাবেশে জামায়াত আমির চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা তুলে ধরবেন।
চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “আমরা জামায়াত আমিরকে চট্টগ্রামে স্বাগত জানাতে সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত। এই সমাবেশগুলো চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করা এবং চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসতে পারে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে টানা সমাবেশের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী তাদের সাংগঠনিক শক্তি ও রাজনৈতিক অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরতে চাইছে।








