অধিনায়ক ও সিনিয়র খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়ায় বিতর্ক হকি দলে

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক
২১ আগস্ট, ২০২৫ এ ৪:১৪ এএম
এশিয়া কাপ হকির দলে অধিনায়ক পুষ্কর খীসা মিমো। ছবি : সংগৃহীত

এশিয়া কাপ হকির দলে অধিনায়ক পুষ্কর খীসা মিমো। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ হকি দলে ঘটেছে চমকপ্রদ পরিবর্তন। সাম্প্রতিক এএইচএফ কাপ হকিতে দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা পুষ্কর খীসা মিমোকে রাখা হয়নি এশিয়া কাপের চূড়ান্ত দলে। শুধু মিমো নন, বাদ পড়েছেন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় নাঈম উদ্দিন, মাইনুল ইসলাম ও মাহবুব হোসেনও। অথচ এএইচএফ কাপে মিমোর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো— পাকিস্তান এশিয়া কাপে না খেলায় সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। সেই সুযোগ কাজে লাগানোর প্রস্তুতিতেই দল ঘোষণা করে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন। তবে চূড়ান্ত দলে জায়গা না পাওয়া চার সিনিয়র খেলোয়াড় মঙ্গলবার রাতে হকি ফেডারেশনে গিয়ে এর ব্যাখ্যা জানতে চান। সেখানে ঘটে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনা। খেলোয়াড়দের অভিযোগ, সিলেকশন কমিটির কর্তা আবু জাফর প্রকাশ্যে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন।

অধিনায়কত্ব হারানো মিমোর দাবি, খেলোয়াড়দের দাবি-দাওয়ার আন্দোলনে সামনের কাতারে থাকার কারণেই তাদের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নাঈম উদ্দিনও একই অভিযোগ করে বলেন, আক্রোশ থেকেই অভিজ্ঞদের বাদ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে হকি মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

তবে বাংলাদেশ দলের কোচ ও সাবেক অধিনায়ক মশিউর রহমান ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, সিলেকশন কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেই দল গঠন করা হয়েছে। বাদ পড়া খেলোয়াড়রা দীর্ঘ ১২০ দিন আন্তর্জাতিক ম্যাচের বাইরে ছিলেন। অন্যদিকে যেসব খেলোয়াড় শারীরিকভাবে বেশি ফিট এবং তরুণ, তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এপ্রিলে অনুষ্ঠিত এএইচএফ কাপের পর এশিয়া কাপ দিয়েই বাংলাদেশ আবার আন্তর্জাতিক হকিতে ফিরছে। তবে অধিনায়ককেই দলে না রাখা এবং সিনিয়র খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে। সব মিলিয়ে এশিয়া কাপের আগে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের ভেতরে অস্থিরতার ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।