গোসল ফরজ অবস্থায় সেহরি খেলে রোজা ভঙ্গ হবে কি?


ছবি: সংগৃহীত
রোজা পালন মুসলিমদের জন্য মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সমস্ত ধরণের পানাহার ও গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকা ফরজ। এ সময় স্ত্রী সহবাসও নিষিদ্ধ। তবে রাতে সহবাসের কারণে কোনো সমস্যা নেই, এবং স্বপ্নদোষ ঘটলেও তা রোজা ভঙ্গ করে না।
গোসল ফরজ হলে তা সেহরির আগে করা উত্তম, বিশেষত সুবহে সাদিকের (ফজরের আজানের) আগে। তবে দেরি হলেও রোজা ভেঙে যায় না। যদি সেহরির সময় কম থাকে বা ঘুম থেকে দেরিতে ওঠা হয়, গোসল না করেই সেহরি খাওয়া যাবে। তবে ফজরের নামাজের আগে অবশ্যই গোসল সম্পন্ন করতে হবে।
ফরজ গোসলের নিয়মাবলী (রোজার সময়)
১. গুলি করা: গড়গড় করে কুলি করা যাবে না, যাতে কণ্ঠনালিতে পানি প্রবেশ না করে। সাধারণভাবে তিনবার কুলি করা যথেষ্ট।
২. নাকে পানি দেওয়া: নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌঁছানো যাবে না। কেবল নাকের ভিতরের অংশ ভিজানোই যথেষ্ট।
স্ত্রী সহবাসের সময় দোয়া
‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়তানা, ওয়া জান্নিবিশ শায়তানা মা রাজাকতানা।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, তোমার নামে আরম্ভ করছি। তুমি আমাদের নিকট থেকে শয়তানকে দূরে রাখো এবং আমাদের যে সন্তান দান করবে, তা থেকেও শয়তানকে দূরে রাখো।’
(সহিহ বুখারি: ৬৩৮৮)
রোজা রাখার সময় গোসল ফরজ হলেও সেহরি খাওয়া যাবে। তবে নামাজের আগে ফরজ গোসল সম্পন্ন করা আবশ্যক। এটি ইসলামের নিয়মাবলী অনুযায়ী রোজা ভঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।










