ফ্যাসিবাদমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের দাবি

রাজনীতি ডেস্ক
রাজনীতি ডেস্ক
২৮ আগস্ট, ২০২৫ এ ৩:২৩ এএম
ফ্যাসিবাদমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচনের পক্ষে বক্তব্য রাখছেন মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। ছবি: সংগৃহীত

ফ্যাসিবাদমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচনের পক্ষে বক্তব্য রাখছেন মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। ছবি: সংগৃহীত

ফ্যাসিবাদমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতির নির্বাচনের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ তখনই জন্ম নেয়, যখন এককভাবে ক্ষমতায় থাকার সুযোগ সৃষ্টি হয়। তখন সংবিধান বারবার সংশোধন করে তা দলীয় প্রচারপত্রে রূপ দেওয়া হয়। এ অবস্থা থেকে দেশ ও জনগণকে রক্ষা করতে হলে পিআর পদ্ধতির নির্বাচনই একমাত্র সমাধান।

বুধবার ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা মামুনুর রশিদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা সাইফুল্লাহ মানসুর, ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের জেলা সভাপতি মাওলানা তাজুল ইসলাম কাসেমী, শ্রমিকনেতা মনিরুজ্জামানসহ জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, ছাত্র-জনতা জীবন বাজি রেখে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে একটি সুন্দর আগামীর জন্য। রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার এবং জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি গড়ে তুলতে হলে একটি কার্যকর নির্বাচনের প্রয়োজন। আর সেই নির্বাচন হতে হবে পিআর পদ্ধতির ভিত্তিতে। তিনি আরও বলেন, জনগণ আর প্রতিহিংসার রাজনীতি, চাঁদাবাজি ও সহিংসতার রাজনীতিতে ফিরে যেতে চায় না।

তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের পর খুনি ও ফ্যাসিস্ট শক্তির পতন প্রমাণ করেছে যে, জনগণই চূড়ান্ত শক্তি। শেখ হাসিনার দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে বোঝা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করলে জনগণের রায়ে পরাজিত হতে হয়। চাঁদাবাজ, খুনি ও স্বার্থান্বেষী মহলকে সতর্ক করে তিনি বলেন, দেশপ্রেমিক মানুষ এখন ঐক্যবদ্ধ এবং তারা যেকোনো অন্যায়কে প্রতিহত করবে।

মাওলানা কাইয়ূম বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আজ স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তাই পিআর পদ্ধতির নির্বাচন এখন সময়ের দাবি। জনগণই রাষ্ট্র সংস্কার এবং ফ্যাসিবাদমুক্ত ভবিষ্যৎ নির্মাণে নেতৃত্ব দেবে।