একাত্তরের স্বাধীনতা চব্বিশে রক্ষা হয়েছে: তারেক রহমান

রাজনীতি ডেস্ক
রাজনীতি ডেস্ক
১৮ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৮:৩২ এএম
জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি পৃথক বিভাগ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়িতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে।

জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি অতীতে সরকার পরিচালনার সময় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল, যা ১৯৭১ সালের শহীদ, আহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের দেখভাল করে আসছে। একই ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোর কল্যাণে ওই মন্ত্রণালয়ের আওতায় আলাদা একটি বিভাগ চালু করা হবে।

তিনি বলেন, “আমরা যাদের হারিয়েছি, তাদের আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে যারা পেছনে রয়ে গেছেন, সেই পরিবারগুলোর কষ্ট লাঘব করা আমাদের দায়িত্ব। জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই গণ্য হবেন এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের প্রাপ্য সম্মান ও সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।”

তারেক রহমান আরও বলেন, একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন। আর চব্বিশে যে যোদ্ধারা রাজপথে লড়াই করেছেন, তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই করেছেন। “১৯৭১ সালে যে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জিত হয়েছিল, সেটিই ২০২৪ সালে আবার রক্ষা করা হয়েছে,”—বলেন তিনি।

সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানও অংশ নেন। বক্তারা জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

সভা শেষে বিএনপি নেতারা জানান, দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ঘোষিত এই বিভাগ গঠনের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহত পরিবারগুলোর কল্যাণে এটি একটি কাঠামোগত ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।