Something went wrong

চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, ভাঙচুরের অভিযোগ

রাজনীতি ডেস্ক
রাজনীতি ডেস্ক
২৮ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৬:১৩ এএম
চট্টগ্রামের আমবাগান এলাকায় সংঘর্ষের পর ভাঙচুর হওয়া বিএনপি-সমর্থিত কার্যালয়ের অংশ। ছবি:সংগৃহীত

চট্টগ্রামের আমবাগান এলাকায় সংঘর্ষের পর ভাঙচুর হওয়া বিএনপি-সমর্থিত কার্যালয়ের অংশ। ছবি:সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি একটি বিএনপি-সমর্থিত কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, চট্টগ্রাম-১০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা থেকেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর গণসংযোগ শেষ করে ফেরার সময় আমবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে জামায়াত কর্মীরা মিছিল নিয়ে রেললাইনের পাশে অবস্থিত আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় স্লোগান দেন। এতে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা বিএনপি কর্মীরা বাইরে বেরিয়ে পাল্টা স্লোগান দিলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে উভয় পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে কোকো স্মৃতি সংসদের কার্যালয়ের কিছু অংশ ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এ ঘটনায় তাদের অন্তত সাতজন কর্মী আহত হয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী অভিযোগ করে বলেন, মিছিল চলাকালে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং তারা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, বহিরাগত কিছু লোক অতর্কিতে কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এস কে খোদা তোতন বলেন, দলীয় কার্যালয়ে বসে থাকা নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হলে তারা আত্মরক্ষার্থে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জানান, পাল্টাপাল্টি স্লোগান থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement