ভোটের দিনে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা: কে কোথায় ভোট দিচ্ছেন


অধিকাংশ উপদেষ্টা নির্বাচনের দিন রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করবেন এবং নিজ নিজ এলাকার নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ছবি সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার (ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ চলছে।
নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অধিকাংশ উপদেষ্টা ভোটের দিন ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং নিজ এলাকার নির্ধারিত কেন্দ্রে ভোট দেবেন। ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্ন ও সুষ্ঠু রাখতে তারা ব্যক্তিগতভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করবেন।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার উদয়ন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। একই এলাকার ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরারের।
রাজধানীর মিরপুর ১২ নম্বর এলাকার ই-ব্লকের একটি কেন্দ্রে ভোট দেবেন সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার শ্যামলী শিশু মেলার নিকটবর্তী একটি কেন্দ্রে এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন মহাখালী ডিওএইচএস এলাকার একটি স্কুল কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার ভোট দেবেন উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান গুলশান-২ এর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ধানমন্ডির একটি কেন্দ্রে ভোট দেবেন। ঢাকার বাইরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম চট্টগ্রামের মেহেদীবাগ এলাকায় নিজ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, জরুরি দাপ্তরিক কাজের কারণে তিনি এবার চট্টগ্রামে নিজ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে নাও পারেন। মঙ্গলবার তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েছেন বলেও নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।
একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উৎসাহ দেখা গেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।









