জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করে অধ্যাদেশ জারি


জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে রাজপথে আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতা। ছবি:সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠিত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকারীদের ফৌজদারি দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সরকারি গেজেটে অধ্যাদেশটি প্রকাশ করা হয়, যার মাধ্যমে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলো।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ফ্যাসিস্ট শাসনের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে। এই ঐতিহাসিক আন্দোলন পরবর্তীতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই সময় গণতান্ত্রিক শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য যেসব রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তাতে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা বা দায়েরযোগ্য ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের আওতায় আইনি সুরক্ষা প্রযোজ্য হবে।
এর আগে, গত ১৫ জানুয়ারি জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি প্রদানের লক্ষ্যে অধ্যাদেশটির খসড়া উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত হয়। তখন জানানো হয়েছিল, অনুমোদনের পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে এটি গেজেট আকারে প্রকাশ পেয়ে আইনে পরিণত হবে।
উপদেষ্টা পরিষদের ওই বৈঠকটি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে অধ্যাদেশ অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








