এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩৫৫৯ পদে ৭৮৭১১ শিক্ষক আবেদন

আজকের প্রথা প্রতিবেদন
আজকের প্রথা প্রতিবেদন
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ৬:১০ এএম
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধানের ১৩ হাজার ৫৫৯ পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে ৭৮ হাজার ৭১১ জন শিক্ষকের আবেদন

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধানের ১৩ হাজার ৫৫৯ পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে ৭৮ হাজার ৭১১ জন শিক্ষকের আবেদন

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধানসহ মোট ১৩ হাজার ৫৫৯ পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন ৭৮ হাজার ৭১১ জন শিক্ষক। এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ৩ ফেব্রুয়ারি এবং বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে।

এবারই প্রথম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানের নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। প্রার্থীরা অনলাইনে http://ngi.teletalk.com.bd
 ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে। ৩ হাজার ৮৭২টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ২৬ হাজার ৮২৬ জন। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের ৩ হাজার ৯২৩ শূন্যপদে আবেদন করেছেন ১৯ হাজার ৮৩৮ জন। ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে ৬২৭ শূন্যপদে আবেদন করেছেন ৬ হাজার ৮২ জন।

ফাজিল, কামিল ও আলিম মাদ্রাসা এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও বিএম কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও সহকারী পদেও যথাক্রমে হাজারের বেশি শিক্ষক আবেদন করেছেন। এর মধ্যে দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপারের ১,০০৪ শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ২,৯৮৭ জন।

নির্বাচন প্রক্রিয়া ১০০ নম্বরের পরীক্ষার ভিত্তিতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, মৌখিক পরীক্ষায় ১২ নম্বর এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য ৮ নম্বর বরাদ্দ। লিখিত পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতে হবে, প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা হবে। প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর এবং প্রতিষ্ঠান পছন্দের ভিত্তিতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ সুপারিশ করা হবে। কোনো প্রকার তদবির বা অনিয়ম এ ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।

এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, “অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই পরীক্ষায় শিক্ষকের যোগ্যতা ও দক্ষতার মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে। এক সপ্তাহের আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে যাতে সকল প্রার্থী সুযোগ পায়।”