লেবাননে ইসরাইলি হামলায় হিজবুল্লাহ কমান্ডারসহ প্রাণ হারিয়েছেন ১২ জন


লেবাননের বেকা উপত্যকায় ইসরাইলি বিমান হামলার পর ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান। ছবি: সংগৃহীত
লেবাননের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলের বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর একজন কমান্ডারও রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। সাম্প্রতিক এই হামলা সীমান্ত অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানিয়েছে, লেবাননের সরকারি বার্তা সংস্থা National News Agency–এর বরাতে পূর্বাঞ্চলের বেকা উপত্যকায় বিমান হামলায় প্রথমে ছয়জন নিহত ও ২৫ জনের বেশি আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। পরে নিহতের সংখ্যা ১০-এর বেশি বলে হালনাগাদ করা হয় এবং আহতের সংখ্যা অন্তত ৩০ জনে পৌঁছায়। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বেকা গভর্নরেটের রিয়াক শহরের একটি ভবনে এই হামলা হয়। ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে এনএনএ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হামলার সময় এলাকাটি ছিল জনবসতিপূর্ণ।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা বালবেক এলাকায় হিজবুল্লাহর একটি ‘কমান্ড সেন্টার’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, বার্তা সংস্থা এএফপিকে হিজবুল্লাহর একটি সূত্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তাদের একজন সামরিক কমান্ডার রয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননের সাইদন শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত আইন আল-হিলওয়ে শরণার্থী শিবিরে ড্রোন হামলায় অন্তত দু’জন নিহত হন বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এনএনএ জানায়, শিবিরের হিত্তিন এলাকায় একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনটি আগে যৌথ ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে সেখানে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম চলছিল।
ইসরাইলি বাহিনী দাবি করেছে, ‘বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’র জবাবে একটি হামাস কমান্ড সেন্টারে আঘাত হানা হয়েছে। তবে হামাস এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এতে বেসামরিক লোকজন হতাহত হয়েছেন। সাম্প্রতিক এই হামলাগুলো লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে নতুন করে সংঘাত ও অস্থিরতার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।










