ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত, দাবি ট্রাম্পের


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্পের নতুন দাবি ও কূটনৈতিক ইঙ্গিত । ছবি: সংগৃহীত
যুদ্ধ অবসান ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথিটিতে ট্রাম্প, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্বাক্ষর করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা নিরসনের প্রচেষ্টায় নতুন অগ্রগতির দাবি উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথিটিতে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
এএফপিকে এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে নথিতে স্বাক্ষর করতে আগ্রহী ছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি পুরো প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করার প্রতি নিজের অঙ্গীকার তুলে ধরতে চেয়েছেন।
তবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান সরকার।
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা চুক্তির সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
এ সময় তিনি আরও জানান, আগামী শুক্রবারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে দাবি করেন, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের ‘ঐতিহাসিক প্রতিরোধের’ পর দেশটি ‘চূড়ান্ত বিজয়ের পথে একটি বড় পদক্ষেপ’ গ্রহণ করেছে।
এদিকে জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিতে ফ্রান্সে অবস্থানরত ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ড সফর করবেন।
তিনি আরও বলেন, সমঝোতা চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ খুব শিগগিরই জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে।
যদিও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া হয়েছে, তবুও তেহরানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না আসা পর্যন্ত চুক্তির বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।









