ভারতে বিমান বিধ্বস্ত: মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেষ্ক
আন্তর্জাতিক ডেষ্ক
২৮ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৫:৫৭ এএম
দুর্ঘটনার পর বিধ্বস্ত চার্টার্ড বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার।

দুর্ঘটনার পর বিধ্বস্ত চার্টার্ড বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার।

ভারতের মহারাষ্ট্রে একটি চার্টার্ড বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে মুম্বাই থেকে বারামতির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানানো হয়েছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে সরকারি পর্যায়ে তদন্ত চলছে।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে মহারাষ্ট্রের বারামতি এলাকায় একাধিক জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল অজিত পাওয়ারের। সে উদ্দেশ্যেই তিনি বুধবার সকালে একটি চার্টার্ড বিমানে মুম্বাই ছাড়েন। বিমানে তার সঙ্গে দুইজন পাইলট এবং তিনজন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, বারামতি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজটিতে আকস্মিক বিস্ফোরণ ঘটে। এর ফলে বিমানটি রানওয়ের কাছেই বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পরপরই দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দুর্ঘটনার পর বিমানটি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। চারদিকে আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে কিছু গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিমানের কোনো অংশ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে, উড়োজাহাজে থাকা সকল আরোহী নিহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত মহারাষ্ট্র সরকার বা ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুর সংখ্যা বা পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি।

অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্রের প্রভাবশালী রাজনীতিক এবং এনসিপির শীর্ষ নেতা। তিনি দেশটির বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও এনসিপি প্রতিষ্ঠাতা শারদ পাওয়ারের ভাতিজা। শারদ পাওয়ার সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর পর দলীয় নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন অজিত।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত সংস্থা পৃথক তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। সরকারি নিশ্চিতকরণ ও বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। এ ঘটনায় মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।