Something went wrong

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত অন্তত ৫০ অভিবাসী

আন্তর্জাতিক ডেষ্ক
আন্তর্জাতিক ডেষ্ক
২৭ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৩:২৫ এএম
ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী নৌকাডুবি। ছবি সংগৃহীত

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী নৌকাডুবি। ছবি সংগৃহীত

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনায় একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (তারিখ উল্লেখযোগ্য নয়) ইউরোপের দ্বীপরাষ্ট্র মাল্টার সংবাদমাধ্যম টাইমস অব মাল্টা এ তথ্য জানিয়েছে।

মাল্টার সামরিক বাহিনী জানায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য মাল্টায় নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, নৌকাডুবির পর প্রায় ২৪ ঘণ্টা তিনি সাগরে ভেসে ছিলেন। পরে তিউনিসিয়ার দিকে যাত্রারত একটি বাণিজ্যিক জাহাজ তাকে উদ্ধার করে। তার ধারণা, নৌকায় থাকা বাকি প্রায় ৫০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী সাগরে ডুবে মারা গেছেন।

জানা গেছে, নৌকাটি উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। ইউরোপে প্রবেশের আশায় উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই এমন ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় নামেন।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি কোন দেশের নাগরিক এবং নৌকাটিতে কোন কোন দেশের মানুষ ছিলেন—সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। সাধারণত এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ছোট ও অনিরাপদ নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত এক দশকে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরোপগামী অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে এসব যাত্রা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার খবর সামনে আসছে।

২০১৪ সাল থেকে ভূমধ্যসাগরভিত্তিক অভিবাসন দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করছে বেসরকারি সংস্থা ‘মিসিং মাইগ্রেন্টস’। সংস্থাটির সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত এই সাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় মোট ৩৩ হাজার ৩২৬ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ভূমধ্যসাগরে অন্তত ২৬ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। আর ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল এক হাজার ৮৭৩ জন—যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট করে।