নতুন বছরের প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে বড় উত্থান

অর্থনীতি ডেস্ক
অর্থনীতি ডেস্ক
১ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৪:৪০ পিএম
ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

২০২৫ সালজুড়ে শেয়ারবাজারে দীর্ঘ সময় ধরে দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা থাকলেও নতুন বছরের শুরুতে বাজারে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। বছরের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে।

ডিএসইতে লেনদেন শুরুর পর থেকেই বেশিরভাগ শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়তে থাকে। সারাদিন এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকায় লেনদেন শেষে দেখা যায়, দরবৃদ্ধির তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

দিনশেষে ডিএসইতে মোট ২৬৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৬৬টির দাম কমেছে এবং ৬২টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। এতে বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানকারী ভালো মানের কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৪২টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে ৩৮টির দাম কমেছে এবং ২৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া মাঝারি মানের কোম্পানির মধ্যে ৫৯টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ৮টির কমেছে এবং ১৮টির দাম স্থির ছিল।

লভ্যাংশ না দেওয়ায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যেও ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। এই শ্রেণির ৬২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, ২০টির কমেছে এবং ১৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। পাশাপাশি তালিকাভুক্ত ৩৫টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১১টির দর বেড়েছে, ৬টির কমেছে এবং ১৭টির অপরিবর্তিত ছিল।

সূচকের দিক থেকে দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯১০ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে শীর্ষ ৩০টি ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮৬৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

বছরের প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারের এই উত্থান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত থাকে এবং নীতিগত সহায়তা বজায় থাকে, তবে আগামী দিনগুলোতে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে পারে।