দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে স্বর্ণ, বাড়ছে ভোক্তাদের দুশ্চিন্তা


দেশের স্বর্ণের বাজারে নতুন দামের তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ছবি: সংগৃহীত
দেশের স্বর্ণবাজারে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছেছে স্বর্ণ। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হবে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে ভিন্নতা থাকতে পারে।
এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ৪০৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা।
আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও স্থানীয় তেজাবি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে এই বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। নতুন এই মূল্যতালিকা সাধারণ ক্রেতা ও গহনা ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।










