১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: আজকের স্বর্ণের নতুন দাম ঘোষণা


স্বর্ণ । ছবি:সংগৃহীত
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে Bangladesh Jewellers Association (বাজুস)। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা। নির্ধারিত এই দামেই আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য কমেছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দরে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকায় বিক্রি হবে।
সংগঠনটি আরও জানায়, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির হার বাড়তে বা কমতে পারে।
এর আগে সর্বশেষ ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায় নির্ধারণ করা হয়। ওই দাম কার্যকর হয়েছিল সকাল ১০টা থেকে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ দফা দাম বেড়েছে এবং ১২ দফা কমেছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।
স্বর্ণের দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। চলতি বছরে রুপার দাম ১৭ দফা সমন্বয় হয়েছে—যেখানে ১০ দফা বেড়েছে এবং ৭ দফা কমেছে। ২০২৫ সালে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল।
স্বর্ণের দামে সাম্প্রতিক এই পতন ভোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এলেও আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর ভবিষ্যৎ দর নির্ভর করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।










