ফেব্রুয়ারির মোট ক্রয় ৩৮৯ মিলিয়ন

১৬ ব্যাংক থেকে আরও ১৭ কোটি মার্কিন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

অর্থনীতি ডেস্ক
অর্থনীতি ডেস্ক
৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ৮:৩৪ এএম
বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রয় কার্যক্রম: ১৬ ব্যাংক থেকে ১৭ কোটি ডলার ক্রয়, রিজার্ভ মজুদ শক্তিশালী। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রয় কার্যক্রম: ১৬ ব্যাংক থেকে ১৭ কোটি ডলার ক্রয়, রিজার্ভ মজুদ শক্তিশালী। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: দেশের ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক আরও ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ক্রয় করেছে। ডলারের বিনিময় হার নির্ধারিত হয়েছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সায়। এই ক্রয়ের ফলে চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ক্রয় দাঁড়াল ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয়ের পরিমাণ ৪,৩২৩ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, “আজ ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১২২.৩০ টাকা কাট-অফ রেটে মোট ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ক্রয় করা হয়েছে। এর ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে আমাদের মোট ক্রয় দাঁড়াল ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।”

এর আগে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি ব্যাংকের মাধ্যমে ২১ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছিল। একই সময়ে ডলারের বিনিময় হারও ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। ফেব্রুয়ারি মাসে ক্রয় শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে।

জানাগেছে, এই অর্থ ক্রয়ের মাধ্যমে রিজার্ভ মজুদ শক্তিশালী করা এবং বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উদ্দেশ্য রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত ভিত্তিতে দেশি ও বৈদেশিক বাজার থেকে ডলার ক্রয় করে মুদ্রানীতি পরিচালনা করে।

গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন দফায় ক্রয় কার্যক্রম চালিয়েছে। ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং ২০ জানুয়ারি দুইটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার ক্রয় করা হয়। এছাড়া ১২ জানুয়ারি ১০টি ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ এবং ৬ জানুয়ারি ১৪টি ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার ক্রয় করা হয়েছিল। সব ক্রয়ে কাট-অফ হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এ ধরনের নিয়মিত ডলার ক্রয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক। এছাড়া রিজার্ভ শক্তিশালী হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে স্বস্তি বজায় থাকে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই ক্রয় কার্যক্রম চলতি মাসে আরও কিছু দফায় সম্পন্ন হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে।