মেসির হাত ধরেই ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে ইন্টার মিয়ামি

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক
৩০ নভেম্বর, ২০২৫ এ ৪:৩৮ এএম
ইতিহাস গড়ে প্রথমবার এমএলএস কাপের ফাইনালে ইন্টার মিয়ামি। ছবি: সংগৃহীত

ইতিহাস গড়ে প্রথমবার এমএলএস কাপের ফাইনালে ইন্টার মিয়ামি। ছবি: সংগৃহীত

ইন্টার মিয়ামির হয়ে নতুন ইতিহাস গড়লেন লিওনেল মেসি। ক্লাবটির ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তারা পৌঁছে গেল এমএলএস কাপের ফাইনালে। শনিবার রাতে ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনালে নিউইয়র্ক সিটি এফসিকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দেয় মিয়ামি। মেসির উপস্থিতি ম্যাচে বাড়তি প্রভাব ফেললেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন আরেক আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড তাদেও আইয়েন্দে, যিনি হ্যাটট্রিক করে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন।

১৬ বছরের অপেক্ষা ভেঙে দিয়েছে মিয়ামি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল দলটি। ১৪ মিনিটে সার্জিও বুসকেটসের নিখুঁত থ্রু-বল ধরে নিচু শটে গোল করে মিয়ামিকে এগিয়ে নেন আইয়েন্দে। এরপর ২৩ মিনিটে জর্দি আলবার ক্রসে দুর্দান্ত হেডে দলকে দ্বিতীয়বারের মতো উল্লাসে ভাসান তিনি। প্রথমার্ধের বিরতিতে যাওয়ার আগেই ৩৭ মিনিটে নিউইয়র্ক একটি গোল শোধ করে। ম্যাক্সি মোরালেসের ফ্রি-কিক থেকে জাস্টিন হক হেডে গোল করলে ব্যবধান কমে আসে।

দ্বিতীয়ার্ধে নিউইয়র্ক সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল। ৬৬ মিনিটে জোরালো এক শট প্রতিহত করেন মিয়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস নোভো, যেটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। মাত্র এক মিনিট পর লিওনেল মেসির দুর্দান্ত পাস ধরে গোল করেন মাতেও সিলভেত্তি। এ গোলের মধ্য দিয়ে মেসি ভেঙে দেন ৫৯ বছরের পুরোনো একটি বিশ্বরেকর্ড, যা তাকে আরও একবার ফুটবল ইতিহাসের শীর্ষ আলোচনায় নিয়ে আসে।

৮৩ মিনিটে জর্দি আলবার সঙ্গে চমৎকার পাস আদান-প্রদানের পর তেলাস্কো সেগোভিয়া গোল করে ব্যবধান ৪-১ করেন। আর শেষ মুহূর্তে, ৮৯ মিনিটে, নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন আইয়েন্দে। তাঁর তৃতীয় গোলেই নিশ্চিত হয় মিয়ামির বড় ব্যবধানের জয়।

মেসি যোগ দেওয়ার পর থেকেই পাল্টে গেছে ইন্টার মিয়ামির ভাগ্য। ২০২৩ সালে লিগস কাপ এবং ২০২৪ সালে সাপোর্টারস শিল্ড জিতলেও এমএলএস কাপের ফাইনালে ওঠা হয়নি। এবার সেই অপেক্ষার অবসান হলো। এখন তাদের চোখ শুধু একটি লক্ষ্যেই—এমএলএস কাপের স্বপ্ন পূরণ।