বাংলাদেশের গ্লোবাল অ্যাপ হ্যালো সুপারস্টারস আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রশংসিত


হ্যালো সুপারস্টারস অ্যাপ। ছবি সংগৃহীত
বাংলাদেশের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ড. কামরুল আহসান উদ্ভাবিত ফ্ল্যাগশিপ গ্লোবাল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ ‘হ্যালো সুপারস্টারস’ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। ইতোমধ্যেই এই অ্যাপ বিশ্বের ৫০০-এর বেশি সংবাদমাধ্যমে ফিচার প্রকাশ পেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)। অ্যাপটি ভক্ত এবং সেলিব্রিটির মধ্যে সরাসরি ও অর্থবহ রিয়েল-টাইম ইন্টারঅ্যাকশন তৈরি করছে, যা কর্মজীবী মানুষ ও প্রবাসীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যাপের বৈশিষ্ট্য ও উদ্ভাবন:
হ্যালো সুপারস্টারস সামাজিক যোগাযোগের একটি নতুন দিগন্ত খুলেছে। ব্যবহারকারীরা তাদের প্রিয় তারকাদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে মেসেজ, লাইভ চ্যাট ও অন্যান্য রিয়েল-টাইম কার্যক্রমে অংশ নিতে পারছেন। এটি শুধু বিনোদন নয়, বরং ভক্ত এবং তারকার মধ্যে অর্থবহ সংযোগের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এটি দেশে ও বিদেশে তথ্য ও সংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবে ভূমিকা রাখছে।
ই-ট্যালেন্ট হান্ট ফুটবল প্রকল্প:
অ্যাপের মাধ্যমে চালানো ই-ট্যালেন্ট হান্ট ফুটবল প্রকল্প দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লুকিয়ে থাকা কিশোর ও যুব ফুটবল প্রতিভাদের উদ্ভাবন করেছে। নির্বাচিত অনূর্ধ্ব-১৬ দল মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত লা লিগা ইয়ুথ টুর্নামেন্ট ২০২৫-এ রানার্স-আপ হয়ে দেশের ফুটবল ইতিহাসে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।
আন্তর্জাতিক তারকারা ও প্রি-লঞ্চ অনুষ্ঠান:
অ্যাপে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক তারকাদের অংশগ্রহণ রয়েছে, যেমন মাইকেল জ্যাকসনের বোন লা টয়া জ্যাকসন, বলিউড এবং বাংলাদেশের শিল্প ও ক্রীড়াঙ্গনের কিংবদন্তিরা। সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও কাতারে প্রি-লঞ্চ এবং বাণিজ্যিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে লক্ষাধিক দর্শক সরাসরি অংশ নিয়েছেন।
উদ্যোক্তা ও নেতৃত্ব:
ড. কামরুল আহসান বলেন, “বিশ্বজুড়ে অসংখ্য সংবাদমাধ্যম নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে ফিচার প্রকাশ করছে। এগুলো শুধু তথ্য নয়, ব্যবসা সম্প্রসারণেরও কার্যকর মাধ্যম। বিশেষ করে প্রবাসীদের জন্য এমন প্রযুক্তি তৈরি করতে পেরে আমি গর্বিত।”
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠা ও নারী নেতৃত্ব:
বাংলাদেশের হ্যালো সুপারস্টারস লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠা করেছেন দুই নারী উদ্যোক্তা – চেয়ারম্যান খন্দকার সেলিনা আক্তার রানী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিল আফরোজ।
উপসংহার:
হ্যালো সুপারস্টারস কেবল প্রযুক্তি উদ্ভাবন নয়, এটি বাংলাদেশের উদ্ভাবন ও প্রতিভার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিশ্বমঞ্চে পরিচিতি পেয়েছে।










