হজযাত্রীদের ভিসার আবেদন শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি: ধর্ম মন্ত্রণালয়

ধর্ম ডেষ্ক
ধর্ম ডেষ্ক
৩১ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৮:৪২ এএম
হজ মৌসুমকে সামনে রেখে ভিসা ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। হজ মৌসুমকে সামনে রেখে ভিসা ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ছবি : সংগৃহীত

হজ মৌসুমকে সামনে রেখে ভিসা ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। হজ মৌসুমকে সামনে রেখে ভিসা ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের হজ পালন করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ভিসার আবেদন শুরু হবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি, যা চলবে ২০ মার্চ পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণ শেষে ফিটনেস সনদ নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে ভিসার আবেদন করতে হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের হজ উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমে নিবন্ধনকারী সব হজযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। সৌদি সরকারের স্বাস্থ্যবিষয়ক নীতিমালা অনুসরণ করে সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা এবং নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ বাধ্যতামূলক।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা নেওয়ার পর হজযাত্রীদের ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে। এই সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রী ভিসার আবেদন করতে পারবেন না। প্রাপ্ত ফিটনেস সনদের ভিত্তিতে সৌদি নুসুক মাসার ব্যবস্থার মাধ্যমে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

এ পরিপ্রেক্ষিতে, নিবন্ধিত সব হজযাত্রী—দেশে অবস্থানরত এবং প্রবাসী বাংলাদেশিসহ—সবাইকে বাংলাদেশের যেকোনো সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র থেকে সময়মতো টিকা নিয়ে ভিসার আবেদন শেষ করার অনুরোধ করা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, চলতি বছর ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রী হজে যেতে পারবেন না। ফলে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব এড়াতে আগেভাগেই সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হবে ১৮ এপ্রিল থেকে। নির্ধারিত সময়সূচির মধ্যে ভিসা ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সব কার্যক্রম শেষ করাই হবে হজযাত্রীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি।