ভোট দিতে বাধা এলে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জামায়াত আমিরের


জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মূল শর্ত। দেশের মানুষ যেন আর দখলদারত্ব, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও স্বৈরতন্ত্রের শিকার না হয়, সে লক্ষ্যেই জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় ঐক্য জোট আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
সমাবেশে তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। দেশের মানুষকে কারও দয়ার ওপর নির্ভরশীল না রেখে আত্মমর্যাদার সঙ্গে বাঁচার সুযোগ করে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য। নারী ও পুরুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
উত্তরবঙ্গ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এই অঞ্চলকে পরিকল্পিতভাবে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের মানুষের পরিশ্রমী মানসিকতা থাকা সত্ত্বেও অবহেলার কারণে তারা বঞ্চিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে এ অঞ্চলের কাউকে বেকার থাকতে দেওয়া হবে না বলে তিনি আশ্বাস দেন।
চিকিৎসা ব্যবস্থার দুরবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা না থাকায় অনেক মানুষ চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পথেই প্রাণ হারান। এ সমস্যা সমাধানে দেশের ৬৪ জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে এবং পঞ্চগড়েও একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
উন্নয়ন অর্থায়নের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা উদ্ধার করেই দেশের উন্নয়নের অর্থ জোগাড় করা সম্ভব। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে কেউ দুর্নীতি করতে না পারে, সে জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সমাবেশে তিনি জুলাই যোদ্ধা, একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। দখলদারত্ব, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও স্বৈরতন্ত্র নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণার মধ্য দিয়ে তিনি জনগণকে ভোটাধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।










