ঢাবিতে বিএনপি নেতাকে ভিসি নিয়োগ, যা বললেন ডা. মাহমুদা মিতু


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি নেতাকে নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় রাজনৈতিক সমালোচনা শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম। এই নিয়োগকে রাজনৈতিক প্রভাবের ফলাফল হিসেবে দেখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু, যারা মেধার পরিবর্তে রাজনৈতিক দলীয় নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ডা. মাহমুদা মিতু সোমবার নিজের ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “কোটা না, মেধা? স্লোগান দিয়ে প্রাণ দেওয়া জাতির বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হলেন দলীয় স্লোগান দিয়ে। কী ঘৃণ্য!” তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি যা একসময় মেধা ও প্রগতিশীলতার প্রতীক ছিল, আজ সেখানে নেতৃত্ব নির্বাচন হচ্ছে রাজনৈতিক সংযোগের ভিত্তিতে।
তিনি দেশের তরুণ প্রজন্মের অনুভূতির কথাও তুলে ধরেছেন। যারা রাজনৈতিক সচেতন এবং স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার দাবিতে সচেতন, তারা দেখতে পাচ্ছে এমন সিদ্ধান্তে শিক্ষা ও প্রশাসনের মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ডা. মিতু উল্লেখ করেছেন, কিছু রাজনৈতিক নেতার প্রকৃত প্রতিশ্রুতি নেই, তারা কেবল বহিরাগতভাবে স্লোগান ব্যবহার করেন, কিন্তু নীতির প্রতি দায়বদ্ধতা দেখান না।
এই নিয়োগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক প্রভাব এবং মেধার মধ্যে ভারসাম্য কতটা বজায় রাখা হচ্ছে। অনেকেই আশা করছেন, আগামি কয়েক সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাসন, স্বচ্ছতা ও একাডেমিক নেতৃত্ব নিয়ে আরও আলোচনা হবে।
ডা. মাহমুদা মিতু আরও বলেন, “যারা সরকার গঠনের সময় নির্দিষ্ট নীতি বা প্রমাণিত আদর্শের ওপর দাঁড়িয়ে থাকেন, তারা নিজস্ব হৃদয়ে সেই নীতি ধারণ করেন না। শুধুমাত্র চাপ এড়ানোর জন্যই তারা পদক্ষেপ নেন, যা লজ্জার বিষয়।










