Something went wrong

নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ, প্রজ্ঞাপন জারি

জাতীয় ডেস্ক
জাতীয় ডেস্ক
২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ৬:৩৮ এএম
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ছবি সংগৃহীত

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ছবি সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে।

এছাড়া, ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপ-সচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম সই করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। রোববার এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।

তবে শর্তসাপেক্ষে কিছু যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন; জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী পরিবহনকারী যানবাহন; এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন।

সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন এবং মোটরসাইকেলও নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে।

নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী যানবাহনও জরুরি সেবা হিসেবে নিষেধাজ্ঞামুক্ত থাকবে।

এছাড়া, আত্মীয়-স্বজনকে আনতে বা বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছাতে যেসব যানবাহন ব্যবহার হবে (টিকিট বা প্রমাণ প্রদর্শন সাপেক্ষে); দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহনকারী যানবাহন; এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ও নির্বাচনি এজেন্টের জন্য নির্দিষ্ট ছোট যানবাহনও (রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে) নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তঃজেলা ও মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং সংযোগ সড়কে নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

উল্লিখিত যানবাহন ব্যতীত অন্য সকল যানবাহনের ওপরও এই সময়সূচি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিলের ক্ষমতা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারদের দেওয়া হয়েছে।

Advertisement