নবম পে-স্কেল নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনা কী? অর্থ প্রতিমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা


নবম পে-স্কেল। ছবি: সংগৃহীত
সরকারি কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি জানান, পে-স্কেল দেওয়া হবে, তবে বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগবে। তিনি কর্মচারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।
সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপ-সচিব মো. আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ শীর্ষ নেতারা। বৈঠক শেষে এম এ হান্নান সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে সরকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে।
প্রতিমন্ত্রী কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু পে-স্কেল বাস্তবায়নের কথা বলেছেন, তাই আপনারা ধীরে ধীরে এটি পাবেন। তবে এখনই পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, সময় লাগবে।’ তবে নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে তিনি কিছু জানাননি।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, অতীতে পে-স্কেলের দাবিতে আন্দোলনের সময় জোনায়েদ সাকি কর্মচারীদের পক্ষে সক্রিয় ছিলেন—সেই প্রসঙ্গও আলোচনায় উঠে আসে। জবাবে তিনি বর্তমান সরকারের আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও সামগ্রিক পরিকল্পনার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিক মন্ত্রিসভার বৈঠকে পে-স্কেল নিয়ে আলোচনা হয়নি।
উল্লেখ্য, নবম পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে গত বছরের ২৭ জুলাই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি পে-কমিশন গঠন করে। কমিশনটি চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দ্রুত সুপারিশ বাস্তবায়ন ও নতুন পে-স্কেল ঘোষণাই এখন সরকারি কর্মচারীদের প্রধান দাবি।
বর্তমানে সরকার সুপারিশ পর্যালোচনা ও আর্থিক সক্ষমতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ফলে পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে নীতিগত আশ্বাস মিললেও চূড়ান্ত ঘোষণা পেতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।










