বিবিএস’র প্রতিবেদন

জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

জাতীয় ডেস্ক
জাতীয় ডেস্ক
৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ৩:৩১ এএম
জানুয়ারি মাসে দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে, যা ডিসেম্বর মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ।

জানুয়ারি মাসে দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে, যা ডিসেম্বর মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে। আগের মাস ডিসেম্বরে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাবেই খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

বিবিএস প্রকাশিত কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) অনুযায়ী, জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ, যা ডিসেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। তবে এ সময় খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশে, যেখানে আগের মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চাল, ভোজ্যতেল, সবজি ও বাড়িভাড়াসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর।

গ্রামাঞ্চলে জানুয়ারি মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশে, যা ডিসেম্বর মাসে ছিল ৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। একই সময়ে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। তবে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।

অন্যদিকে শহরাঞ্চলে জানুয়ারি মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে, যা ডিসেম্বর মাসে ছিল ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। তবে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশে, যেখানে ডিসেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

বিবিএস জানায়, জানুয়ারি মাসে সামগ্রিকভাবে মজুরি হার খুব সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ০৮ শতাংশে। কৃষি খাতে মজুরি হার কমে হয়েছে ৮ দশমিক ১২ শতাংশ, শিল্প খাতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে মজুরি হার অপরিবর্তিত থেকে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে সামনের মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।