নির্বাচনের ফল কবে প্রকাশ হবে জানাল নির্বাচন কমিশন

জাতীয় ডেস্ক
জাতীয় ডেস্ক
৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ৭:০৫ এএম
নির্বাচন কমিশন। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশন। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল কবে প্রকাশ করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর তিন দিন নয়, বরং নির্বাচনের পরদিন শুক্রবারের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে বর্তমান নির্বাচনি পরিস্থিতি ও প্রস্তুতি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে শঙ্কাগুলো ছিল, সেগুলোর অধিকাংশই সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় ইতোমধ্যে কাটিয়ে ওঠা গেছে।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ইনশাআল্লাহ আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) একটি সুন্দর, গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে পারবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন পরিচালনায় কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনোভাবেই তিন দিন লাগবে না। আধুনিক অটোমেশন ব্যবস্থা এবং একাধিক প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে ফলাফল দ্রুত সংগ্রহ ও সংকলন করা যাবে। তবে দুর্গম এলাকার কিছু কেন্দ্রে যোগাযোগগত কারণে সামান্য সময় বেশি লাগতে পারে বলে জানান তিনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। অতীতের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে এবং কমিশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্বাচন পরিচালিত হবে।

নির্বাচনের দিন সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রতিটি আসনে একাধিক মনিটরিং টিম থাকবে বলে জানান তিনি। প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর তথ্য কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে পাঠানো হবে। যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে, সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ঠেকাতে একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ কাজ করবে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার। কমিশনের লক্ষ্য একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করা।