নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের তিন দিনের কর্মসূচি


নবম পে স্কেল। ছবি: সংগৃহীত। ছবি: সংগৃহীত
অবিলম্বে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়নের দাবিতে তিন দিনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সমাবেশে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা অংশ নেন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশের সব সরকারি দপ্তরে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মচারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে চলমান গণকর্মবিরতি প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত সাত বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানানো হলেও সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে না। সর্বশেষ গত ৫ ডিসেম্বর লক্ষাধিক কর্মচারীর অংশগ্রহণে একটি মহাসমাবেশ থেকে সরকারকে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। তখন আশা করা হয়েছিল, ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
তবে দাবি অনুযায়ী কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে বলে জানান আন্দোলনকারীরা। তারা অভিযোগ করেন, গত ২১ জানুয়ারি কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরও অর্থ উপদেষ্টা গেজেট প্রকাশ না করে নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে সময়ক্ষেপণ করছেন।
সমন্বয় পরিষদের নেতারা আরও বলেন, জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক একটি মন্তব্য—যেখানে বলা হয়েছে বর্তমান সরকার পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং আন্দোলন প্রশমিত করতেই কমিশন গঠন করা হয়েছিল—সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানানো হয়। দাবি আদায়ে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সমাবেশ থেকে সতর্ক করা হয়।









