জনগণের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়াই সরকারের অঙ্গীকার: ধর্ম উপদেষ্টা


ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, জনগণের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়াই সরকারের মূল অঙ্গীকার। বিচার ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে নিয়ে যেতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের সাতকানিয়া চৌকি আদালতের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দীর্ঘদিন পর উৎসবমুখর পরিবেশে দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে আমরা আশাবাদী। নির্বাচন শেষে জনগণের ভোটে যারা নির্বাচিত হয়ে আসবেন, তাদের হাতেই সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা আশা করছি আগামী দিনের সরকার ভালো হবে। তবে বাস্তবতা হলো—সরকার ভালোও হতে পারে, আবার আমাদের প্রত্যাশার বাইরে খারাপও হতে পারে। তাই ভালো আশা করলেও খারাপ পরিস্থিতির জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।
আইনের শাসনের গুরুত্ব তুলে ধরে আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, যেখানে আইনের শাসন অনুপস্থিত থাকে, সেখানে মব জাস্টিস সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, যা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে সামাজিক শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, সাতকানিয়া চৌকি আদালতের অবকাঠামো উন্নয়ন সরকারের সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেরই অংশ। শতবর্ষী এই আদালত ভবনের অবকাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আর্কিটেক্টদের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।
সাতকানিয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. সোলাইমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুল ইসলাম মানিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ আহছান খালিদ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাতকানিয়া আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক, সহসাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, অ্যাডভোকেট এ এম ফয়সাল, সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট সুজন পালিতসহ অন্যান্য আইনজীবী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।










