পাকিস্তানি বিমান হামলায় আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিহত


আফগানিস্তানের কাবুলে পাকিস্তানি বিমান হামলায় তালেবান সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিহত হয়েছেন।
আফগানিস্তানের কাবুলে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর ‘অপারশন গজব-লিল হক’ অভিযান চালানোর পর ইসলামিক এমিরেত অব আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা ওসিন্টের ইউরোপ শাখা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রথম অনুচ্ছেদ: আফগানিস্তানের কাবুলে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন তালেবান সরকারের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। এতে তার সঙ্গে কয়েকজন শীর্ষ তালেবান কমান্ডারও মারা গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স সংস্থা (ওসিন্ট) ইউরোপ শাখা।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ২০২১ সালে মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান ত্যাগের পর তালেবান দ্বিতীয়বার ক্ষমতা দখল করে সরকার গঠন করে। হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা সেই সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মূলত তার নির্দেশ ও দিকনির্দেশনার ওপর ভিত্তি করেই আফগান তালেবান সরকার পরিচালিত হতো।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: পাকিস্তান তার মদতপুষ্ট নিষিদ্ধ গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) নির্মূলের অংশ হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে বিমান অভিযান চালায়। ওই অভিযানে দুই প্রদেশে ৮০-এরও বেশি মানুষ নিহত হন।
চতুর্থ অনুচ্ছেদ: অভিযানের প্রতিশোধ হিসেবে আফগান সেনাবাহিনী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টার দিকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় ডুরান্ড লাইন এলাকায় পাকিস্তানি সেনাচৌকিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। আফগান সেনাদের এই অভিযানে কয়েকজন পাক সেনা নিহত হন এবং কিছু সেনাকে বন্দি করা হয়।
পঞ্চম অনুচ্ছেদ: আফগান সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজ জানায়, সেনাপ্রধান ফাসিহুদ্দিন ফিৎরাতের নির্দেশে রাত ১২টা পর্যন্ত ডুরান্ড লাইনে অভিযান চালানো হয়। এই হামলায় পাকিস্তানি সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
উপসংহার: এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সংঘাত সামরিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।










