গাজায় ইসরায়েলি সেনারা একই পরিবারের ২৫ জনকে হত্যা করল


ছবি : সংগৃহীত
গতরাতে অবরুদ্ধ গাজা শহরের সাবরা পাড়াে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একই পরিবারের অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন; ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে চাপা পড়ে আছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধারকারীরা এখনও ধ্বংসস্তূপ খুঁড়ে জীবিতদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং বহু পরিবার সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবরা এলাকায় রোববার ভোরে একাধিক বাড়ি বিস্ফোরিত হলে এতে ওই পরিবারের সদস্যরাও প্রাণ হারান। হামলার পর অন্তত ১৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও অনেকেই ধ্বংসস্তূপে আটকা আছে—স্থানীয়রা কিছু জায়গা থেকে চিৎকার শুনেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের স্বজনেরা তৎপরতার জন্য আন্তর্জাতিক সমাজকে সাহায্যের আবেদন করছেন।
সংঘর্ষের তীব্রতার মধ্যে গাজা জুড়ে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভারী বিমান ও স্থল অভিযান চালানো হচ্ছে; বিভিন্ন সংবাদসংস্থা ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ রেকর্ড করা নির্যাতনে বহু বেসামরিক নিহতের তথ্য দিচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান এবং অন্যান্য রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, এই সংঘাতের ফলে ব্যাপক অর্থে হতাহত ও বাস্তুচ্যুতি ঘটেছে এবং মানবিক পরিস্থিতি অভিনবভাবে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে
স্থানীয় সংরক্ষণকারী ও উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে এখনও লোকজনের কান্না শোনা যায় কিন্তু পৌঁছানো যাচ্ছে না; অনেক এলাকার প্রবেশ পথও ঝুঁকিপূর্ণ, আবার উদ্ধারকাজ চলাকালীনও হামলার আশঙ্কায় শুরুতে কাজ থেমে গেছে বলে প্রচারিত ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক প্রেসে প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে হতাহতদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার দৃশ্য এবং শোকাহত স্বজনদের আর্তনাদ দেখা গেছে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন; একই সঙ্গে বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সাহায্যসংস্থা পরিবহন ও সুরক্ষা সীমাবদ্ধতার কারণে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় চরম বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। সংঘাতে নির্দিষ্ট এলাকায় মানবিক কার্যক্রমে বাধা থাকায় সাধারন নাগরিকদের দুরুস্থিতি পরিণত হয়েছে বড় মানবিক সংকটে।









