খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্ব কার হাতে, কী জানাল রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম


আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি: ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, নেতৃত্বের রূপান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তিন সদস্যের একটি পরিষদ সাময়িকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। রোববার ভোরে ইরানি পক্ষ থেকে খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিড অনুযায়ী—কে: আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি; কী: মৃত্যুর পর নেতৃত্বের প্রশ্ন; কখন: রোববার ভোরে নিশ্চিতকরণ; কোথায়: ইরান; কেন: কথিত হামলার প্রেক্ষাপট; কীভাবে: সাংবিধানিক অন্তর্বর্তী ব্যবস্থার মাধ্যমে—এই তথ্যগুলো রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে প্রকাশিত হয়েছে।
আইআরএনএর খবরে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী পরিষদে থাকবেন দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিল-এর একজন ফকিহ (ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞ)। এই তিন সদস্য সাময়িকভাবে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করবেন।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরও জানায়, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই ব্যবস্থাই কার্যকর থাকবে। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ক্ষমতা বিশেষজ্ঞ পরিষদের হাতে ন্যস্ত, তবে সেই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী কাঠামোই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।
এর আগে শনিবার রাতে খামেনিকে হত্যার দাবি তোলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। তবে চূড়ান্ত ঘোষণা আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। রোববার ভোরে ইরানি সূত্র নিশ্চিত করার পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে।
বর্তমানে ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনই প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, অন্তর্বর্তী পরিষদের কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত আগামী দিনগুলোর রাজনৈতিক দিকনির্দেশ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।







