হলিউড ছাড়ছেন জর্জ ক্লুনি, পরিবার নিয়ে স্থায়ী হচ্ছেন ফ্রান্সে

বিনোদন ডেষ্ক
বিনোদন ডেষ্ক
৮ মার্চ, ২০২৬ এ ৪:১১ এএম
পরিবার নিয়ে ফ্রান্সে নতুন জীবন শুরু করতে যাচ্ছেন হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনি ও আমাল ক্লুনি। ছবিঃ সংগৃহীত

পরিবার নিয়ে ফ্রান্সে নতুন জীবন শুরু করতে যাচ্ছেন হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনি ও আমাল ক্লুনি। ছবিঃ সংগৃহীত

হলিউডের ব্যস্ত ও আলোচিত জীবন থেকে সরে গিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন বিশ্বখ্যাত অভিনেতা জর্জ ক্লুনি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী আমাল ক্লুনি। পারিবারিক গোপনীয়তা ও শান্ত পরিবেশে সন্তানদের বড় করার লক্ষ্যেই তারা ফ্রান্সে স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দম্পতি তাদের আট বছর বয়সী যমজ সন্তানদের নিয়ে ফ্রান্সের একটি নিরিবিলি গ্রামে বসবাস শুরু করবেন বলে জানা গেছে।

৬৪ বছর বয়সী জর্জ ক্লুনি এবং ৪৮ বছর বয়সী আমাল ক্লুনি ফ্রান্সের ব্রিগনোলেস এলাকার একটি শান্ত খামারবাড়িতে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করছেন। সম্প্রতি ফরাসি নাগরিকত্ব পাওয়ার পর তারা সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, সন্তানদের স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশে বড় করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

এক সাক্ষাৎকারে জর্জ ক্লুনি বলেন, সন্তানদের ব্যক্তিগত জীবন রক্ষা করাই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ‘হ্যালো কানাডা’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, ফ্রান্সে শিশুদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তার ভাষায়, “এখানে স্কুলের গেটের সামনে পাপারাজ্জিদের অপেক্ষা করতে দেখা যায় না। শিশুদের ছবি তোলার ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ম রয়েছে।”

দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্রজগতে সক্রিয় থাকা জর্জ ক্লুনি ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে ফ্রান্সের শান্ত পরিবেশই এখন থেকে তাদের পরিবারের প্রধান আবাসস্থল হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।

‘পিপল’ ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে প্রথম দেখা হওয়ার পর থেকেই জর্জ ও আমাল ক্লুনির সম্পর্ক দ্রুত ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ইতালির ভেনিসে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরে ২০১৭ সালে তাদের ঘর আলো করে যমজ সন্তানের জন্ম হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, হলিউডের ঝলমলে জীবন ছেড়ে পরিবারকেন্দ্রিক শান্ত জীবন বেছে নেওয়ার এই সিদ্ধান্ত দম্পতির ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ও সন্তানদের ভবিষ্যৎকে অগ্রাধিকার দেওয়ারই একটি উদাহরণ।