লালনকন্যা ফরিদা পারভীনের দাফন কুষ্টিয়ায়


কিংবদন্তি লোকসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন। ছবি:সংগৃহীত
বরেণ্য লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীনের মরদেহ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হবে। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এক ঘণ্টা সেখানে তার মরদেহ রাখা হবে।
দীর্ঘদিন কিডনি জটিলতায় ভুগে আসছিলেন এই কিংবদন্তি শিল্পী। নিয়মিত ডায়ালাইসিসের অংশ হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। ডায়ালাইসিসের পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। সেখানেই তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত বুধবার তার অবস্থার আরও অবনতি হলে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। অবশেষে চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি চলে যান না ফেরার দেশে।
শিল্পী ফরিদা পারভীন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্মগ্রহণ করেন। অল্প বয়সেই সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ গড়ে ওঠে তার। মাত্র ১৪ বছর বয়সে, ১৯৬৮ সালে তিনি পেশাদার সংগীতজীবন শুরু করেন। এরপর টানা পাঁচ দশক লালনসহ লোকসংগীতকে মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দেন তিনি।
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, ‘বাড়ির কাছে আরশিনগর’ কিংবা লালন সাঁইয়ের আরও বহু গান তার কণ্ঠে অমরত্ব লাভ করে। শ্রোতাদের ভালোবাসায় তিনি ‘লালনকন্যা’ উপাধিতে ভূষিত হন। তার অবদান বাংলা লোকসংগীতের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তার দাফন সম্পন্ন হবে কুষ্টিয়ায় পারিবারিক কবরস্থানে। প্রিয় শিল্পীর বিদায়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।










