ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীর ভিড় বেড়ে গেল


ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীর ভিড় বেড়ে ব্যবসায়ীরা সন্তুষ্ট, বিক্রি ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্টল মালিকরা। ছবি সংগৃহীত
সকালের দিকে মেলার প্রাঙ্গণে অল্পসংখ্যক দর্শনার্থী ছিলেন। তবে দুপুরের পর ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেটে প্রবেশ করেন। পরিবারের সঙ্গে আসা মানুষ বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়ন ঘুরে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনছেন। শীতের কারণে আগের কয়েক দিনে তুলনামূলকভাবে ভিড় কম ছিল, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেছে।
তুর্কি ফ্যাশনের পরিচালক জায়েদ খন্দকার বলেন, “শুরুর দিকে তীব্র শীতের কারণে দর্শনার্থীর সংখ্যা কম ছিল। তবে কয়েকদিন ধরে অফিস খোলার দিনেও লোকসমাগম বেড়ে গেছে। প্রতিটি প্যাভিলিয়নে দর্শনার্থীর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আশা করি, সামনের দিনগুলোতে বেচাকেনা আরও বাড়বে।”
ইন্ডিয়ান ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খোকন জমাদ্দার বলেন, “আগের দিনের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে। মেলার শেষের দিকে ক্রেতা আরও বাড়বে বলে আমরা মনে করি।” দুপুরের পর হিমেল শীত উপেক্ষা করে দর্শনার্থীরা দলে দলে মেলাপ্রাঙ্গণে আসেন। ঘরের সাজানো ও আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন পণ্য ক্রেতারা কিনছেন। বিশেষ করে হোমটেক্স, শীতবস্ত্র, পাকিস্তানি থ্রি-পিস, ইরানি ও তুর্কি পণ্যের স্টলে ক্রেতা উপস্থিতি বেশি ছিল।
স্টান্ডার্ড লুঙ্গি স্টলের সেলস অফিসার আবুল কালাম আজাদ বলেন, “আমাদের নতুন কলেকশন প্রদর্শনের জন্য স্টল সাজানো হয়েছে। লুঙ্গি ছাড়াও কোম্পানির গার্মেন্টস পণ্য এখানে পাওয়া যাচ্ছে।” দর্শনার্থীরাও মেলায় আগ্রহ ও উৎসাহ দেখাচ্ছেন।
পরিবার নিয়ে মেলায় আসা মিলন মিয়া বলেন, “ভিড় বাড়লেও পরিবেশ ভালো। প্রয়োজনীয় কিছু পণ্য কিনেছি। শেষের দিকে আবার আসার পরিকল্পনা আছে, তখন সাধারণত ছাড় বেশি থাকে।” বাড্ডা থেকে আসা দর্শনার্থী শামিম হোসাইন বলেন, “দুপুরে ঢুকেই ভিড় দেখে অবাক হয়েছি। সব প্যাভিলিয়নে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। তবে কিছু পণ্যের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি।”
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ও বাণিজ্যমেলার পরিচালক তরফদার সোহেল রহমান বলেন, “মেলা প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে বেচাকেনা করতে পারছেন এবং দর্শনার্থীরা নিরাপদে মেলা উপভোগ করতে পারছেন। সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।”










