ইনস্টাগ্রামের প্রধানের মন্তব্য: সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তিকর নয়

প্রযুক্তি ডেস্ক
প্রযুক্তি ডেস্ক
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ৮:২৪ এএম
ইনস্টাগ্রামের প্রধান আডাম মোসেরি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আসক্তি তৈরি করে না, ব্যবহার মাত্রা সমস্যাজনক হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

ইনস্টাগ্রামের প্রধান আডাম মোসেরি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আসক্তি তৈরি করে না, ব্যবহার মাত্রা সমস্যাজনক হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

ইনস্টাগ্রামের প্রধান আডাম মোসেরি যুক্তরাষ্ট্রের এক মামলায় জানালেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ক্লিনিক্যালি আসক্তি’ তৈরি করতে পারে না। তবে প্ল্যাটফর্মের অতিরিক্ত ব্যবহার সমস্যাজনক হতে পারে।

ইনস্টাগ্রামের প্রধান আডাম মোসেরি আদালতে বলেন, কেউ ইনস্টাগ্রাম বেশি সময় ব্যবহার করতে পারে, কিন্তু এটি আসক্তি হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। ব্যবহারকারীর ব্যবহার ভিন্ন হওয়ায়, কেউ সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, কেউ বেশি সময় দিতে পারে।

মামলাটির বাদী ২০ বছর বয়সী এক তরুণী, যাকে আদালতে ‘কেলি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, মেটা কোম্পানি কিশোরদের দীর্ঘ সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখার জন্য আসক্তিকর ফিচার তৈরি করেছে, যা তার মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলেছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী প্রশ্ন করেন, কিশোরদের টার্গেট করা হয় কি না। মোসেরি জানান, কিশোর ব্যবহারকারীদের থেকে তুলনামূলক কম আয় হয়, তাই উদ্দেশ্য কেবল মুনাফা নয়।

বাদীপক্ষের দাবি, ‘ইনফিনিট স্ক্রল’, ‘অটোপ্লে’, ‘লাইক’ বাটন এবং ‘বিউটি ফিল্টার’ কিশোরদের দীর্ঘ সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে আটকে রাখে। একদিনে বাদী ১৬ ঘণ্টার বেশি ইনস্টাগ্রামে কাটিয়েছেন। মোসেরি বলেন, এটি ‘সমস্যাজনক ব্যবহার’ হতে পারে, কিন্তু আসক্তি নয়।

মোসেরি আদালতে তার পারিশ্রমিকও উল্লেখ করেন—মূল বেতন বছরে প্রায় ৯ লাখ ডলার, বোনাস ও শেয়ারসহ মোট আয় ১–২ কোটি ডলার। তিনি বলেন, পণ্যের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ব্যক্তিগত শেয়ার উদ্বেগ প্রভাব ফেলে না।

মেটা জানায়, বাদীর মানসিক স্বাস্থ্যে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জটিলতা ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এককভাবে দায়ী নয়। মামলাটি বর্তমানে জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।