ভূমিকম্পে ধৈর্যের আহ্বান জানালেন জামায়াত আমির


জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনা দেশে সন্ত্রাসী রাজনীতির সূচনা করেছিল। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা মহানগরী ও আশুলিয়া এলাকায় পরপর দুটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় জনমনে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রতিক এই প্রাকৃতিক কম্পনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সংকটময় মুহূর্তে জনগণকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা রাখতে হবে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পের পর পরদিন আবারও রাজধানী ও আশুলিয়ায় কম্পন অনুভূত হওয়া দেশের জন্য সতর্ক সংকেত। তার ভাষায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা, যা থেকে শিক্ষা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুর্যোগের সময় আতঙ্ক না ছড়িয়ে ধৈর্য ও সচেতন আচরণই পারে বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে। তিনি উল্লেখ করেন, সব বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মহান আল্লাহর সাহায্যই একমাত্র অবলম্বন। এজন্য বেশি বেশি দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রস্তুতি ও জনগণের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, দুর্যোগ-সংকটের সময়ে জনগণের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং জনগণের মনে সাহস সঞ্চার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে বড় শহর ও শিল্প এলাকায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করার পরামর্শ দেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ, জনগণের সচেতনতা এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি তাওয়াক্কুল—এই তিনটির সমন্বয়ে বড় কোনো বিপর্যয় থেকে জাতিকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।









