ভোটের মাঠে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের প্রতিদ্বন্দ্বী কারা


NCP : ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম। স্থানীয়দের মতে, নাহিদ ইসলাম ও কাইয়ুমের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে। বাড্ডা এলাকার ভোটার বজলুর রহমান বলেন, “এনসিপি তরুণদের দল, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময়। তবে বিএনপি প্রার্থী কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে জনগণের সঙ্গে যুক্ত।”
রংপুর-৪ আসনে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াত এ আসনে প্রার্থী প্রত্যাহার করায় আখতারের সামনে রয়েছে ত্রিমুখী লড়াই। তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক ভরসা এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী পীরগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান।
ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মডেল মেঘনা আলমও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নোয়াখালী-৬ আসনে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে বিএনপির ভোট বিভক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহবুবের রহমানের সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থী তানভীর উদ্দিন ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিমও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় এ আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন—গণঅধিকার পরিষদের মো. জসীম উদ্দিন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের ইরফানুল হক সরকার, খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল করিম।
পঞ্চগড়-১ আসনে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের প্রতিপক্ষ বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির। স্থানীয়রা জানায়, নওশাদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সক্রিয়। অন্যদিকে জুলাই আন্দোলনের নেতা সারজিস আলম প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে নিয়মিত মাঠে কাজ করছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের প্রতিপক্ষরা শক্তিশালী হলেও দলের তরুণ নেতৃত্ব ও স্থানীয় কার্যক্রম তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে এই নেতাদের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে প্রভাবও পরিমাপ করা সম্ভব হবে।








