সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অভিযান ঘিরে বিতর্ক, চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

জাতীয় ডেস্ক
জাতীয় ডেস্ক
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ৪:১৭ পিএম
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগে শাহবাগ থানার চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। শুরু হয়েছে বিভাগীয় তদন্ত।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগে শাহবাগ থানার চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। শুরু হয়েছে বিভাগীয় তদন্ত।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় শিক্ষার্থী ও দায়িত্বরত সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অভিযুক্ত চারজনকে শাহবাগ থানা থেকে ক্লোজ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দীনসহ কয়েকজন দর্শনার্থী ও দুই সাংবাদিক মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তোফায়েল আহমেদ (২৫) এবং আজকের পত্রিকার কাউসার আহমেদ রিপন (২৭)। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল পুলিশ সদস্য তোফায়েল আহমেদকে লাঠি দিয়ে আঘাত করছেন। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করেন।

ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত শাহবাগ থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা তিন দফা দাবি উত্থাপন করে দায়ীদের শাস্তির দাবি জানান। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে বিক্ষোভকারীরা সরে যান।

উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, “চারজনকে ক্লোজ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” পুলিশ বলছে, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্তমানে সংশ্লিষ্ট চার কনস্টেবলকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়ার অগ্রগতি ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।